ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ১৯ বছরের তরুণ মো. সাব্বিরের। মোবাইল ফোনে দুজনের কথা হতো, তবে সামনাসামনি কোনোদিন দেখা হয়নি। হঠাৎ এক দিন সহকর্মী ইয়াকুব আলীর মোবাইল ফোনে সেই তরুণীর ছবি দেখেন সাব্বির। তার প্রেমিকার সঙ্গে ইয়াকুবও প্রেম করছেন ভেবে ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই অনুযায়ী শৌচাগারে ঢুকে ব্লেড দিয়ে ইয়াকুবের গলা কেটে পালিয়ে যান।রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ম্যাটাডোর কোম্পানির কর্মচারী ইয়াকুব হত্যায় জড়িত সাব্বিরকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানতে পেরেছে পুলিশ।শুক্রবার তিনি অপরাধ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার কামরাঙ্গীরচর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি গোলাম ফারুক সমকালকে বলেন, ইয়াকুবের সঙ্গে ওই তরুণীর কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা, সেটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সন্দেহের বশেই তাকে খুন করেন সাব্বির। ঘটনার দুদিন আগে তিনি হত্যার পরিকল্পনা করেন। এরপর বুধবার রাতে সুযোগ বুঝে হামলা চালান। এসব কথা তিনি স্বীকার করেছেন।